বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাইবান্ধায় দর্জি শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও সেলাই সামগ্রী বিতরন স্থানীয় সম্পাদকদের সাথে প্রেসক্লাব গাইবান্ধার মতবিনিময় ক্রেতা সেজে গাজা ব্যবসায়ীকে নিজেই গ্রেফতার করলেন ডিবির ওসি ভূয়া র‌্যাব পরিচয়ে প্রতারনা, যুবক গ্রেফতার রকি হত্যা মামলার প্রধান আসামী কাঞ্চন ও সোহাগ গ্রেফতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন আতোয়ার রহমান জাফরুল স্মৃতি সংসদ নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ী টিম মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড বোয়ালীর জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান জাহিদ গাইবান্ধা পানি নিস্কাশন ড্রেন ও স্লাব নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন-হুইপ মা হারালেন সাংবাদিক সম্রাট!

গাইবান্ধা পৌরসভার সেই কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত

জাভেদ হোসেন, গাইবান্ধা / ২২৯ বার পঠিত
সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গাইবান্ধা পৌরসভার সেই সাঁটলিপিকার মিলন কুমার সরকারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার পৌর মেয়র মতলুবর রহমানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে পৌর তহবিল থেকে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ, অটোবাইক লাইসেন্স ও এলআর ফান্ডের ৭০ লাখ টাকা পৌর তহবিলে জমা না করে মিলন সরকার তার নিজের একাউন্টে রেখে আত্মসাৎ করেন। এই অর্থ আত্মসাতে ঘটনায় তাকে গত ১৮ মার্চ ও ১৩ এপ্রিল দুই বার কারণ দর্শানোর নোটিশের প্রেক্ষিতে তার জবাব সন্তোসজনক হয়নি মর্মে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এছাড়া পৌরসভা কর্মচারি বিধিমালা ১৯৯২-এর ৪০ ও ৪১ বিধি মোতাবেক মিলন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তাই পৌরসভা কর্মচারি বিধিমালা ১৯৯২-এর বিধি ৪৬ (১) অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন সময়ে তিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা প্রাপ্য হবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়র মতলুবর রহমান বলেন, ‘মিলন সরকারের দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে। এজন্য তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্তের পর তার বিরুদ্ধে পৌর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত: গাইবান্ধা পৌরসভার সাঁটলিপিকার মিলন কুমার সরকার গত সাড়ে চার বছরে অবৈধভাবে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। করেছেন জেলার দুই উপজেলায় বিলাশবহুল তিনটি বাড়ি। এছাড়াও নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে কিনেছেন কোটি টাকার জমি।

২০১৯ সালে গাইবান্ধা শহরের গোবিন্দপুর মৌজায় বাড়িসহ সাত শতাংশ জমি কিনেছেন ৫০ লাখ টাকায়। রাজস্ব ফাঁকি দিতে সেই জমির মূল্য দলিলে তুলেছেন ৪০ লাখ টাকা, যা ২০১৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ৫৯৩৬ নম্বর দলিলে দাতা হাসান আলী রেজিষ্ট্রি মূলে মিলন সরকারের কাছে বিক্রি করেন।

এতো সব অনিয়ম ও সীমাহীন দুর্নীতি করেও এখনো কি করে পৌরসভায় চাকরি করছেন মিলন সরকার তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, গত ১৬ জানুয়ারি পৌর নির্বাচনে জনগণের রায়ে নতুন মেয়র মতলুবর রহমান নির্বাচিত হলে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হয়ে ওঠে এই মিলন সরকার। বেরিয়ে আসতে থাকে তার দুর্নীতির ফিরিস্তি। আর এসব দুর্নীতি আমলে নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার বলে মনে করছেন পৌর নাগরিকরা।

অন্যদিকে নবনির্বাচিত মেয়র দায়িত্ব নেয়ার পর সাফ জানিয়েছেন ‘আমি নিজেও দুর্নীতি করবো না, কাউকে করতেও দেবনা’।

এ নিয়ে মেয়র বলেন, ‘জনগণের কাছে আমার নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পৌরসভাকে ঢেলে সাজাতে চেয়েছি। সেখানে কোনভাবেই পৌর কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দুর্নীতিকে আমি প্রশ্রয় দেব না।’


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসুবকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর