রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ’ এর সদস্য সচিব পদ থেকে জাহাঙ্গীর কবির তনুকে অব্যাহতি। ভোট কেন্দ্র দখলে বাধা দিলে রক্তের বন্যা বইবে! দৈনিক মাধুকর পত্রিকা বর্জনের ঘোষণা বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো প্রেসক্লাব গাইবান্ধার অভিষেক ও প্রীতিভোজ ৮১ মসজিদে সিলিং ফ্যান দিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাইবান্ধায় পুলিশে চাকরি পাইয়ে দিতে প্রতারণা: সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার-২ গাইবান্ধায় ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে একাধিক বিদ্যালয় ভাংচুর ইউপি সদস্য হত্যা: হাজারো জনতা, ছাত্র-শিক্ষকের সড়ক অবরোধ গৃহকর্মীর পাওনা টাকার নিউজ করায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন গাইবান্ধায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিস ভাংচুরের অভিযোগ

সর্বস্তরের মানুষের জনপ্রিয় মূখ শিপন

নিজেস্ব প্রতিনিধি / ৬৮ বার পঠিত
সময় : মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের আস্তাভাজন জনপ্রিয় মূখ সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শিপন। ধাপেরহাট ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যানের মধ্যে সকল মানুষের আস্তাভাজন ছিলো প্রায়ত চেয়ারম্যান রফিক ইসলাম।তার পরেও সেই জনপ্রিয় চেয়ারম্যানের জনপ্রিয়তাকে হার মানিয়ে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ নির্বাচনে সবাই কে তাক লাগিয়ে উদীয়মান তরুণ জনপ্রতিনিধি হিসাবে ২০১১ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় শহিদুল ইসলাম শিপন। অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি জিতে নেয় একাধিক পদক। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিতা হয়ে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে ফাঁয়দা হাঁসিল করে সুকৌশলে ভোট যুদ্ধে পরাজিত করে ২০১৬ সালে রফিকুল ইসলাম নওশা মন্ডল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।  নওশা মন্ডল গত একবছর পূর্বে ৪ বছর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনের পর মৃত্যু বরণ করেন।তিনি গত ৪ বছরে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন কালে ইউনিয়নের দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন সামনে নিয়ে আসতে পারেনি। বর্তমানে ইউনিয়নটিতে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আবদুল আজিজ।

জনমত জরিপে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তুলনায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে শহিদুল ইসলাম শিপন নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয় নিশ্চিত করবে এমন জনপ্রিয় প্রার্থী শহিদুল ইসলাম শিপন।

শিপন খামারপাড়া গ্রামের মৃত্যু আমজাদ হোসেন চাঁন মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র। ছোট্ট বেলা থেকেই দূরন্ত পনা শিপন ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে কাজ করলেও পরবর্তীতে সক্রিয় হয় বি এন পির রাজনীতির সাথে। বিগত নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে হেরে গেলও কমেনি তার সেবাদান প্রক্রিয়া। করোনা কালীন সময়ে কর্মহীন দারিদ্র পীড়িত মানুষ গুলোর পাশে দাড়িয়ে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত জুগিয়েছে সাহস চাঙ্গা করেছে মনবল। তাছাড়া মানুষের চোখে এখনও তার আমলের সার্বিক উন্নয়নের চিত্রগুলো দৃশ্যমান। রাস্তা- ঘাট মসজিদ মন্দির,হাট, নিরাপত্তা ন্যায় বিচার,ঐতিহ্যবাহী পীরের হাট মাজার শরীফের উন্নয়ন, এতিম খানা ও মাদ্রাসা স্থাপনসহ কোথায় তার হাতের উন্নয়নে হাতের ছোয়া লাগেনি এমনটা জায়গা খুজে পাওয়া মুশকিল।

শহিদুল ইসলাম শিপন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন। ইতিমধ্যেই তার গ্রুপ ভিত্তিক নির্বাচনী পূর্ব প্রস্তুতিমুলক সভাগুলোতে নারী পুরুষের সাড়া আশাব্যঞ্চক ও চোখে পড়ার মত। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয় নিশ্চিত করতে পারবে এমন প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান এলাকাবাসী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন,সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে শিপন হবে ধাপেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, তিনি হবেন তরুণদের আইকন, ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ার রুপকার।

এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম শিপন প্রতিবেদকে বলেন,আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর মাদক, চুরি ডাকাতি মুক্ত ইউনিয়ন গড়েছি, মানুষ সাড়া দিন পরিশ্রম করে শান্তিতে ঘুমাতো।গরীব ধনী পেয়েছে ন্যায় বিচার। নারী শিশু নির্যাতন মুক্ত ছিলো, হাজারো পরিবারের ভাঙ্গা সংসার জোড়া লাগিয়ে দিয়েছি, মুক্ত ছিলো বাল্যবিয়ে, মসজিদ মন্দিরে সরকারি অনুদান ও ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি। কৃষি নির্ভর ধাপেরহাটের কৃষকরা খাজনা ছাড়া হাটে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করেছে।হাটের অবকাঠামো নির্মাণ, নায়েবুল্লা পীরের মাজার,মসজিদ, পীরেরহাটের মাজার মসজিদ, পুকুর খনন ঘাট বাঁধাই সহ মাদ্রাসা ও এতিম খানা স্থাপন করেছি। ইউনিয়ন পরিষদের সকল সেবা জনগণের জন্য উন্মুক্ত ছিলো।গরীব অসহায় দরিদ্রপীড়িত মানুষের জন্য আমার দরজা ছিলো উন্মুক্ত। তারা আমার নিকট তাদের অব্যক্ত কথাগুলো বলেছে আমি সাধ্যমত তাদের সহযোগিতা করেছি। তার পরেও আমার অনেক কিছু ভুলভ্রান্তি হয়েছে। এটা সে সময় আমার নিকট তারুণ্যের উন্মাদনায় স্বাভাবিক মনে হলেও বর্তমানে সেই সব বিষয় গুলো বুঝতে পেয়েছি। জনগন যদি তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে দ্বিতীয় বার নির্বাচিত করে তাহলে আমি আমার সর্বোচ্চ টা দিয়ে স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে পরিচ্ছন্ন মডেল ডিজিটাল ইউনিয়নে পরিনত করবো ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আমি জনগনকে অতীতে যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলাম তার পুরন করেছি। এখন যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি নির্বাচিত হলে রক্ত দিয়ে হলেও তা পুরুন করবো এটা আমার ওয়াদা।

বিডিপোষ্ট৭১/ জে আর/ ২ নভেম্বর

 

সংবাদটি শেয়ার করুন


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসুবকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর